যুবদল কর্মী লাবুকে ছুরিকাঘাতে হত্যা চেষ্টার অভিযোগ স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা হারুনে বিরুদ্ধে।
নিজস্ব প্রতিবেদক:
মিরপুরের রুপনগরে যুবদল কর্মী লাবুকে ছুরিকাঘাতে হত্যা চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা হারুনে বিরুদ্ধে। আহত লাবুর (৩৬) স্বজনের অভিযোগ বিএনপি করার কারনে এই হত্যা চেষ্টা করেরে।
মঙ্গলবার (১১ নভেম্বর) দুপুরে মিরপুর ২ নম্ব থেকে পল্লবী পূরবী সুপার মার্কেট যাবার পথে সেকশন-৬ কাচা বাজার সংলগ্ন মুরগী বাজারের সামনে হারুন অর রশিদ নেতৃত্বে হামলার ঘটনা ঘটায়।
অভিযোগে জানা যায়, কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবকলীগের সভাপতি মেজবাউল হক সাচ্চুর ডান হাত ও স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা হারুন অর রশিদ। দীর্ঘদিন যাবৎ রাজনৈতিকসহ বিভিন্ন কারণে বিরোধের কারনে এই হত্যা চেষ্টা।
লাবুর স্ত্রী আফরুজা আক্তার জানান, দীর্ঘদিন যাবৎ আমার স্বামীকে খুন ও প্রান নাসের হুমকি দিয়ে আসছিল স্বেচ্ছাসেবকলীগের সভাপতি মেজবাউল হক সাচ্চুর ডান হাত হারুন অর রশিদ। আমার স্বামী মোঃ লাবু (১১ নভেম্বর)২০২৫ মিরপুর ২ নম্বর থেকে পল্লবী পূরবী সুপার মার্কেট যাওয়া পথে দুপুর ১.৩০ ঘটিকার সময় সেকশন-০৬ নম্বর কাচা বাজার সংলগ্ন মুরগী বাজারের সামনে পৌছাইলে মোঃ হারুন অর রশিদ নেতৃত্বে রাশেদ, কবির, আব্দুল গণি সহ আরো অজ্ঞাতনামা ৮/১০ জন লোকজন নিয়ে আমার স্বামীর পথরোধ করে হত্যার উদ্দেশ্যে হাতে থাকা ধারালো চাকু দ্বারা গলায় ও মুখে উপুর্যপুরি কোপায়, এতে আমার স্বামী মোঃ লাবু গলার বাম পাশে ও নিচের ঠোটের মাঝখানে গুরুতর রক্তাক্ত জখম করে। প্রাণে বাঁচাতে ডাক চিৎকার করিলে আশে পাশের লোকজন এসে সন্ত্রাসীদের হাত থেকে আমার স্বামীকে উদ্ধার করে।
পরে স্থানীয় লোকজন হারুন অর রশিদকে আটক করে, অন্যা সন্ত্রাসীরা পালিয়ে যায়। উপস্থিত লোকজন পল্লবী থানা পুলিশকে সংবাদ দিলে তাৎক্ষনিক পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হলে মোঃ হারুন অর রশিদকে পুলিশের নিকট হস্তান্তর করেন।
পরবর্তীতে আমার স্বামীর সহযোগী মঈন খান এর সহায়তায় রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করেন।
চিকিৎসা শেষে আফরুজা আক্তার বাদী হয়ে পল্লবী থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।
রুপনগর থানা যুবদলের আহ্বায়ক সাহেব খান বলেন,রুপনগর থানা যুবদলের পক্ষ থেকে আমরা এই সন্ত্রাসী হামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই এবং আওয়ামী সন্ত্রাসীদের প্রতিহত করতে আমরা সব সময় রাজপথে প্রস্তুত আছি থাকবো, ইনশাল্লাহ।