1. live@www.ndcnewsbd.com : NDC NEWS BD : NDC NEWS BD
  2. info@www.ndcnewsbd.com : NDC NEWS BD :
সোমবার, ০২ মার্চ ২০২৬, ০৪:১৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের মন্ত্রিসভায় ডাক পেয়েছেন জাতীয় গণতান্ত্রিক আন্দোলনের (এনডিএম) চেয়ারম্যান এবং ঢাকা-১৩ আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য ববি হাজ্জাজ। মানবিকতার পথে অনুপ্রেরণার আলো—রেখা ময়ী ম্যাডামের অবদান অসংক্রামক রোগ প্রতিরোধে আন্ত: মন্ত্রণালয়ের যৌথ ঘোষণা বাস্তবায়নের দাবি ঢাকা ১৩ আসনে পথশিশুদের নিয়ে কাজ করা সোহেল রানা স্বতন্ত্র প্রার্থী ভোটারদের যে আহব্বান জানিয়েছেন কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের সাবেক চেয়ারম্যান জনাব মোঃ আলী আকবর খান (সাময়িক বরখাস্ত)সার্টিফিকেট জালিয়াতি ও অবৈধ অর্থ সম্পদ অর্জনের ঘটনায় অভিযুক্ত। ৩৩ বছরের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা, মিরপুরবাসী আমাকে সাদরে গ্রহণ করছে — সাজু মিরপুর বড় বাজারে স্থানীয় সাংবাদিকদের উদ্যোগে এক তাৎপর্যপূর্ণ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত ভোলার লালমোহন থানা পুলিশ কর্তৃক ওয়ারেন্টভুক্ত আসামী  কামাল জুয়েল সহ ৪ জন গ্ৰেপ্তার  Abu Bakar Rahil Sets a Unique Example of Humanity

ঘাটাইলে শেখশিমুল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে নানা অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ এলাকাবাসীর

প্রতিনিধির নাম :
  • প্রকাশিত: বুধবার, ২৯ অক্টোবর, ২০২৫
  • ৭০২ বার পড়া হয়েছে

ঘাটাইলে শেখশিমুল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে
নানা অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ এলাকাবাসীর

বিশেষ প্রতিনিধিঃ টাংগাইল জেলার ঘাটাইল উপজেলায় শেখশিমুল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ঘাটাইল, টাংগাইল এর প্রধান শিক্ষক মোঃ সোহরাব হোসেন সাহেবের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে জেলা প্রশাসকের নিকট অভিযোগ দায়ের করেন এলাকাবাসী।এমনকি স্বেচ্ছাচারিতা, স্বৈরাচারিতা, অমানবিকতা, বৈষম্যমূলক বিভিন্ন আচরনের বিষয়ে তদন্ত পূর্বক আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য জেলা প্রশাসকের নিকট অভিযোগ দায়ের করেছেন এলাকাবাসী। সূত্র জানায়, ৪৫ নং শেখশিমুল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অভিভাবক ও স্থানীয় জনগনের অভিযোগ অর্থাৎ অত্র বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মহোদয় তাঁর কর্মকালীন সময়ের বিভিন্ন অনিয়ম, দুর্নীতি, স্বেচ্ছাচারিতা, স্বৈরাচারিতা, অমানবিকতা, বৈষম্যমূলক বিভিন্ন আচরনের কিছু অংশ নিন্মে বর্ণিতঃ অত্র বিদ্যালয়ের উন্নয়নের জন্য বিদ্যালয়ের বিভিন্ন খাতে সরকারি ভাবে বরাদ্ধকৃত অর্থ বিদ্যালয়ের হিসাব নম্বর ৬০০৮০০২১৭৫১২১ সোনালী ব্যাংক, ঘাটাইল শাখা হতে ২০১৭ খ্রিঃ থেকে ২০২৫ খ্রিঃ তারিখ পর্যন্ত ৯,৮১,০০০/= টাকা এবং অন্য হিসাব নম্বর ৬০০৮০০২১৪৩৯৩১ সোনালী ব্যাংক, ঘাটাইল শাখা হতে ২০২১ খ্রিঃ থেকে ২০২৫ খ্রিঃ তারিখ পর্যন্ত ১,২৫,৩০০/= টাকা উত্তোলন করেছেন কিন্তু বিদ্যালয়ের ক্ষেত্রে দৃশ্যমান কোন উন্নয়নমূলক কাজ করে নাই।প্রাধান শিক্ষক, শিক্ষার্থীদের নিকট থেকে বিভিন্ন খাত দেখিয়ে টাকা উত্তোলন করে বিদ্যালয়ের ফান্ড গঠন করেন এবং সেই ফান্ডের টাকা দিয়ে বিদ্যালয়ের কাজ করবেন বলেন কিন্তু কোন কাজ করেন না।অভিযোগকারী অর্থাৎ অত্র বিদ্যালয়ের অভিভাবকদের দাবি, প্রধান শিক্ষক অত্র বিদ্যালয়ে ০৩ টি ল্যাপটপ, ০১ টি প্রজেক্টর, ০১ টি ওয়াই ফাই রাউটার, ০২ টি সাউন্ড সিস্টেম ও ০১ টি মিনি হ্যান্ড মাইক প্রাথমিক ও গণশিক্ষা অধিদপ্তর হতে সরবরাহ করেছেন। উক্ত ল্যাপটপ, প্রজেক্টর, ওয়াই ফাই রাউটার, সাউন্ড সিস্টেম ও মিনি হ্যান্ড মাইক বিদ্যালয়ে না থাকায়, এসব উপকরন সামগ্রীর কথা জানতে চাইলে “চুরি হয়ে যেতে পারে মর্মে নিজ বাসায় রেখেছেন” বলে জানান। অত্র বিদ্যালয়ের প্রাক-প্রাথমিক শ্রেণির অবস্থা খুবই শোচনীয়, বসার ভালো ব্যবস্থা নাই, ব্লাকবোর্ডের অবস্থা খুবই খারাপ, শিক্ষার্থীদের খেলনা সহ প্রয়োজনীয় কোন উপকরন সরবরাহ করেন না।তিনি অত্র বিদ্যালয়ে ০২-০২-২০১৭ খ্রিঃ তারিখে যোগদানের পর থেকে বিদ্যালয়ের শ্রেণিকক্ষ ও শিখন শেখানো উপকরন ব্যবহার করে বিদ্যালয়ের শ্রেণিকক্ষে প্রাইভেট পড়িয়ে শিক্ষার্থী প্রতি ১০০০/= টাকা আদায় করে ব্যক্তিগত সুবিধা নিয়ে থাকেন।২০২৫ খ্রিঃ তারিখ মাসিক (৫৬×১০০০)= ৫৬০০০/- টাকা। গড়ে ২০১৭ খ্রিঃ সাল থেকে ২০২৫ ইং সাল পর্যন্ত (৫০জন X ১০০ মাস × ১০০০টাকা) = ৫০,০০,০০০/- টাকার প্রায় (আনুমানিক) ব্যক্তিগত সুবিধা নিয়েছেন।প্রধান শিক্ষক মহোদয় বেশিরভাগ দিন সকালে এসে প্রাইভেট পড়িয়ে শিক্ষা অফিসে কাজ আছে বলে চলে যান এবং বিকেল ৩ঃ৩০ টার দিকে এসে আবার প্রাইভেট পড়ানো শুরু করেন কিন্তু কোন মুভমেন্ট খাতা মেইনটেইন করেন না।প্রধান শিক্ষক, অত্র বিদ্যালয়ে আসার পর থেকে বিভিন্ন খাতে টাকা উত্তোলন করেন।শুধু ২০২৪ সালে ০১ বছরে ইনকাম ২,২১,৮০০/- টাকা। অনুরুপভাবে (আনুমানিক) গত ০৭ বছরে হয় (২,২১,৮০০০ ৭)=১৫,৫২,৬০০/- টাকা।(বিগত বছর গুলোতে শিক্ষার্থীর সংখ্যা আরো বেশী ছিল)।তিনি শিক্ষার্থীদের নিকট থেকে ছাড়পত্র বাবদ ৮০০/- টাকা থেকে ১২০০/- টাকা পর্যন্ত আদায় করেন। পরীক্ষায় অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের নিকট থেকে প্রতি বিষয়ে ৫০/- টাকা থেকে ১০০/- টাকা গ্রহন করে প্রমোশন দিয়ে থাকেন।শিক্ষার্থীদের নিকট থেকে খেলাধূলা, মিলাদ মাহফিল, সাংস্কৃতিক ও জাতীয় বিভিন্ন অনুষ্ঠানের নামে চাঁদা তোলার পর সঠিক ভাবে অনুষ্ঠান গুলো পালন করেন না। শিক্ষার্থীদের পুরষ্কার দিবেন বলে অনুপস্থিত শিক্ষার্থীর নিকট থেকে ১০/- টাকা এবং বিদ্যালয় পলায়ন করা শিক্ষার্থীর নিকট থেকে ৫০/- টাকা করে জরিমানা আদায় করেন কিন্তু কোনো পুরস্কার না দিয়ে সমস্ত টাকা আত্মসাৎ করেন।৬ষ্ঠ, ৭ম ও ৮ম শ্রেণির সিলেবাসের ক্রয় মূল্য দেয়া আছে মর্মে ২০/- টাকা আদায় করার কথা থাকলেও প্রধান শিক্ষক ২৫/- টাকা আদায় করতে চাইলে এতে সহকারি শিক্ষকরা প্রতিবাদ করলে শ্রেণি শিক্ষকদের নিকট থেকে অবিক্রিত সিলেবাসের টাকা জরিমানা আদায় করে নিয়েছেন।১ম থেকে ৮ম শেণি পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের নিকট থেকে বিনামূল্যে বিতরনকৃত পুরাতন বই বছর শেষে উত্তোলন করে গোপনে বিক্রি করে টাকা আত্মসাৎ করেন।প্রধান শিক্ষক বিদ্যালয়ের সাবেক সহকারি শিক্ষক বিউটি আক্তার তার নিজ বেতনের টাকায় ক্রয়কৃত ০১টি সিলিং ফ্যান নামাজের স্থানে লাগিয়ে দেন।সেই সিলিং ফ্যান সরিয়ে নিয়ে শ্রেণিকক্ষে লাগিয়ে নামাজের পরিবেশ নষ্ট করেছেন, বর্তমানে কোন নামাজের ব্যবস্থাও রাখেননি এবং বিভিন্ন সময় অত্র বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক গণের সাথে এবং দপ্তরি কাম নৈশ প্রহরীর সাথে ব্যক্তিগত পারিবারিক দূর্বলতায় আঘাত করাসহ বিভিন্ন বিষয়ে দুর্ব্যবহার করেন মর্মে অভিযোগ রয়েছে।৬ষ্ঠ শেণিতে ভর্তি পরীক্ষার ফ্রি বাবদ ১০০/= টাকার ফরম বিক্রি করে কোন পরীক্ষা গ্রহন করেন না।এমনকি বিদ্যালয়ের পুরাতন চেয়ার বেঞ্চ বিক্রি করে টাকা আত্মসাৎ করেন। উক্ত বিষয়টি খতিয়ে দেখার জন্য প্রশাসনের সুদৃষ্টি কামনা করছি।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩১৪১৫
১৬১৭১৮১৯২০২১২২
২৩২৪২৫২৬২৭২৮২৯
৩০৩১  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট